ভারতের রাফাল ভূপাতিত করতে পাকিস্তানকে সরাসরি সহায়তা করেছিল চীন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯ মে ২০২৬, ০৮:২৬ এএম
২০২৫ সালের মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘটিত রক্তক্ষয়ী আকাশযুদ্ধে প্রথমবারের মতো ফ্রান্সের তৈরি রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়। দীর্ঘ এক বছর পর চীন প্রথমবার স্বীকার করেছে, ওই সময়ে পাকিস্তান বিমানবাহিনীকে তারা সরাসরি কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েছিল।
চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই তথ্য নিশ্চিত করেন অ্যাভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রি করপোরেশন অব চায়নার প্রকৌশলী ঝাং হেং। তিনি জানান, যুদ্ধকালীন সময়ে চীনের একটি বিশেষজ্ঞ দল পাকিস্তানে অবস্থান করে সরাসরি সহায়তা প্রদান করে। কঠিন তাপমাত্রা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও তারা কার্যক্রম চালিয়ে যায় বলে উল্লেখ করেন তিনি।
২০২৫ সালের ৭ মে ভারতের ‘অপারেশন সিন্দুর’ এবং পাকিস্তানের ‘অপারেশন বুনিয়ানুম মারসুস’ চলাকালে এই আকাশযুদ্ধ সংঘটিত হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তান চীনের তৈরি জে-১০সি যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে আকাশযুদ্ধে অংশ নেয়।
যুদ্ধকৌশল অনুযায়ী পাকিস্তানি বিমানগুলো নিজেদের রাডার বন্ধ রেখে অগ্রসর হয়, ফলে ভারতীয় বাহিনী তাদের অবস্থান শনাক্ত করতে পারেনি। একইসঙ্গে আকাশে থাকা নজরদারি বিমান থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাকিস্তানি পাইলটরা লক্ষ্য নির্ধারণ করেন। এরপর অতর্কিত হামলায় ভারতের রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হয় বলে দাবি করা হয়।
এই ঘটনার আগে রাফাল যুদ্ধবিমান কখনো যুদ্ধক্ষেত্রে ভূপাতিত হওয়ার নজির ছিল না। একইভাবে চীনের তৈরি যুদ্ধবিমানও প্রথমবারের মতো এমন সাফল্য অর্জন করে বলে দাবি করা হয়। পাকিস্তানের পক্ষ থেকেও ওই সংঘাতে ভারতের একাধিক যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করা হয়েছিল।
চীনের এই স্বীকারোক্তিকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ও ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।