চিৎকার শুনেছি, সেটা যে ওর ছিল বুঝতে পারি নাই: রামিসার মা

মনোযোগ প্রকাশ ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬, ০৭:৪২ পিএম

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবীতে ৭ বছর বয়সী শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় হৃদয়বিদারক বর্ণনা দিয়েছেন তার মা পারভীন আক্তার। তিনি বলেন, মেয়ের চিৎকার শুনলেও তখন বুঝতে পারেননি সেটি রামিসারই ছিল।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পারভীন আক্তার জানান, ঘটনার সময় তিনি মেয়েকে স্কুলে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। রামিসাকে দাঁত ব্রাশ করে স্কুল ড্রেস পরতে বলেছিলেন। এরপর রামিসা পাশের রুমে যায়।

তিনি বলেন, রামিসার বড় বোন তখন চাচার বাসায় যাচ্ছিল। ছোট বোনও তার পেছনে যেতে চাইলে তাকে বাসায় থাকতে বলা হয়। সে সময় রামিসা দরজার ভেতরেই ছিল। পরে দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে তাকে টেনে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

পারভীন আক্তার জানান, ঘটনার কিছুক্ষণ পর সেখানে একটি জুতা পড়ে থাকতে দেখেন। অন্য জুতাটি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এরপর বড় মেয়েকে একা ফিরে আসতে দেখে তার সন্দেহ হয়।

তিনি বলেন, “আমি একটা চিৎকার শুনেছিলাম। কিন্তু বুঝতে পারিনি সেটা রামিসার চিৎকার। মনে হয়েছিল পাশের ফ্ল্যাটের অন্য কোনো বাচ্চা চিৎকার করছে।”

সন্দেহ হওয়ার পর তারা অভিযুক্তদের দরজায় বারবার ধাক্কা দেন। তবে ভেতর থেকে কেউ দরজা খোলেনি বলেও জানান তিনি।

রামিসার মা আরও বলেন, অভিযুক্তদের সঙ্গে তাদের খুব বেশি পরিচয় বা কথাবার্তা ছিল না।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) পল্লবীর একটি বাসা থেকে শিশু রামিসার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ ওঠে। পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক হওয়ার পর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সোহেল রানা। একই ঘটনায় তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

প্রকাশক: মাহমুদুল হাসান

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: সুজন মাহমুদ

বার্তা সম্পাদক: শরিফুল ইসলাম

যোগাযোগের ঠিকানা:

কুড়িগ্রাম অফিস: কলেজ রোড, চর রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম।

ঢাকা অফিস: ২/এ, কালাচাঁদপুর মেইন রোড, ঢাকা- ১২১২

ইমেইল: monojogprokashnews@gmail.com

মোবাইল: 09658369970