রাশিয়ার তেল শোধনাগারে একের পর এক হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬, ০৯:৫১ পিএম

ছবি: সংগৃহীত

ইউক্রেনের ধারাবাহিক ড্রোন হামলায় রাশিয়ার একের পর এক তেল শোধনাগার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে দেশটির প্রায় সব বড় শোধনাগার আংশিক বা পুরোপুরি উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে বলে জানা গেছে।

বুধবার (২০ মে) প্রকাশিত রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলার শিকার শোধনাগারগুলোর মোট বার্ষিক পরিশোধন সক্ষমতা ৮ কোটি ৩০ লাখ টনেরও বেশি, যা রাশিয়ার মোট তেল পরিশোধন ক্ষমতার প্রায় এক-চতুর্থাংশ।

এই শোধনাগারগুলো রাশিয়ার মোট পেট্রোল উৎপাদনের ৩০ শতাংশের বেশি এবং ডিজেল উৎপাদনের প্রায় ২৫ শতাংশ সরবরাহ করে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশটি ইতোমধ্যে এপ্রিল থেকে জুলাইয়ের শেষ পর্যন্ত পেট্রোল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, চলতি বছরের শুরু থেকেই ইউক্রেন রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা ব্যাপকভাবে বাড়িয়েছে। এসব হামলার লক্ষ্যবস্তুতে রয়েছে তেল শোধনাগার, পাইপলাইন ও সংরক্ষণাগার।

বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশ রাশিয়ার জ্বালানি খাত এ হামলার কারণে চাপের মুখে পড়েছে। পাশাপাশি দেশটির ফেডারেল বাজেটেও এর প্রভাব পড়ছে, কারণ সরকারের মোট রাজস্বের প্রায় এক-চতুর্থাংশ আসে তেল ও গ্যাস খাত থেকে।

হামলার শিকার গুরুত্বপূর্ণ শোধনাগারগুলোর মধ্যে রয়েছে পশ্চিম রাশিয়ার কিরিশি, মস্কো অয়েল রিফাইনারি, ভলগা নদীর তীরবর্তী নিঝনি নোভগোরদ, রিয়াজান এবং ইয়ারোস্লাভল অঞ্চলের শোধনাগার।

সূত্র অনুযায়ী, রাশিয়ার অন্যতম বৃহৎ কিরিশি শোধনাগারটি ৫ মে থেকে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে, যার বার্ষিক সক্ষমতা প্রায় ২ কোটি মেট্রিক টন।

এছাড়া ১ কোটি ৭০ লাখ টন সক্ষমতার নিঝেগোরোদনেফতেওর্গসিনতেজ (নরসি) শোধনাগারেও ২০ মে হামলা চালানো হয়। হামলার পর এটি আংশিকভাবে চালু আছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

প্রকাশক: মাহমুদুল হাসান

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: সুজন মাহমুদ

বার্তা সম্পাদক: শরিফুল ইসলাম

যোগাযোগের ঠিকানা:

কুড়িগ্রাম অফিস: কলেজ রোড, চর রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম।

ঢাকা অফিস: ২/এ, কালাচাঁদপুর মেইন রোড, ঢাকা- ১২১২

ইমেইল: monojogprokashnews@gmail.com

মোবাইল: 09658369970