পরীক্ষা নয়, একাদশে ভর্তি হবে নতুন নিয়মে
মনোযোগ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১১:৩৫ পিএম
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নতুন নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নীতিমালা অনুযায়ী, এবারও একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য কোনো ভর্তি বা বাছাই পরীক্ষা নেওয়া হবে না। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতেই শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ প্রকাশিত নীতিমালায় একাদশে ভর্তির আবেদন, ফল প্রকাশ, ভর্তি নিশ্চায়ন ও ক্লাস শুরুর সময়সূচি জানানো হয়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইনে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু হবে। আবেদন করা যাবে ১০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত। সব প্রক্রিয়া শেষে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে।
ভর্তি ফি সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৫০০ টাকা
প্রতিষ্ঠানভেদে একাদশ শ্রেণির সেশন চার্জ ও ভর্তি ফি সর্বনিম্ন ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এবারও এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম তৈরি করে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।
পুনর্নিরীক্ষণের ফল পাওয়া শিক্ষার্থীদের সুযোগ
নীতিমালায় বলা হয়েছে, ২ থেকে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার পুনর্নিরীক্ষণ বা পুনর্মূল্যায়নের ফল পাওয়া শিক্ষার্থীরাও একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
যেসব শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তিত হবে, তারা ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন। একই সময়ে পছন্দক্রম পরিবর্তনও করা যাবে।
ফল ও ভর্তি নিশ্চায়নের সময়সূচি
নীতিমালা অনুযায়ী, ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে। ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে। এরপর ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন না করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।
৭ শতাংশ আসনে কোটা
নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট আসনের ৯৩ শতাংশ সবার জন্য মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত থাকবে। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম তৈরি করে এসব আসনে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।
অবশিষ্ট ৭ শতাংশ আসনের মধ্যে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যাদের জন্য এবং ২ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এই কোটাপদ্ধতি শুধু ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রযোজ্য হবে।