হেলমেট পরে আলিয়া মাদ্রাসার সামনে কেন গিয়েছিলেন, ব্যাখ্যা দিলেন নয়ন
মনোযোগ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৬ আগস্ট ২০২৬, ০৬:২৫ পিএম
ঢাকার আলিয়া মাদ্রাসার সামনে মাথায় হেলমেট পরে অবস্থান নেওয়া নিয়ে সমালোচনার মুখে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্যসচিব ও কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম নয়ন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত বক্তব্য তুলে ধরেন।
রবিউল ইসলাম নয়ন বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে একটি স্বার্থান্বেষী ও সুবিধাবাদী গোষ্ঠী তাকে ধারাবাহিকভাবে অযৌক্তিক সমালোচনার মুখে ফেলছে। তার ভাষ্য, ভালো কাজের প্রশংসা এবং খারাপ কাজের যৌক্তিক সমালোচনা স্বাভাবিক হলেও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সমালোচনা গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি অভিযোগ করেন, যারা বর্তমানে তার সমালোচনা করছেন, তাদের অনেকেই বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তবে রাজপথের আন্দোলন ও সংগ্রাম নিয়ে মন্তব্য করার আগে বাস্তব অভিজ্ঞতার প্রয়োজন রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ছাত্রদলের পাশে দাঁড়ানোর কারণ ব্যাখ্যা করে নয়ন বলেন, দীর্ঘদিন ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকায় বর্তমান ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের তিনি নিজের ভাই মনে করেন। তার দাবি, তাদের ওপর হামলা হলে পাশে দাঁড়ানো তার নৈতিক দায়িত্ব।
হাতে লাঠি ও মাথায় হেলমেট পরার বিষয়েও ব্যাখ্যা দেন তিনি। নয়নের দাবি, রাজপথের কর্মসূচিতে আত্মরক্ষার কৌশলের অংশ হিসেবেই তিনি হেলমেট ও লাঠি ব্যবহার করেছেন। এ নিয়ে যারা সমালোচনা করছেন, তারা আন্দোলনের বাস্তবতা বোঝেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
পোস্টে তিনি আরও অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক সংঘর্ষে সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়ার ছাত্রদলের একাধিক নেতাকর্মী হামলার শিকার হয়েছেন। তার দাবি, প্রথম দফায় সানাউল্লাহ, রুবেল হোসেন মোমেন, আবুসালে হিরোণ, ফাহাদ, তাসনিম আলম, জাহিদ রহমান জয়নাল, সাদ চৌধুরী, মারুফ বিল্লাহ, হাসান হাওলাদর, জহিরুল ইসলাম, রাজ্জাক, ইউসুফ, শাওন, সাজ্জাদ, মুস্তাকিম, বিল্লাল হোসেন জামিল, তানভীর ইসলাম ও সিরাজুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন আহত হন।
এ ছাড়া দ্বিতীয় দফার হামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সভাপতি শামিম মাহমুদ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, লালবাগ থানা ছাত্রদলের সদস্যসচিব নেসার হোসেন রাব্বিসহ প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
সবশেষে রবিউল ইসলাম নয়ন বলেন, ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় তিনি নীরব থাকতে পারেন না। তাই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে তিনি প্রতিরোধে অংশ নিয়েছেন বলেও নিজের পোস্টে উল্লেখ করেন।