বাবার কফিন আঁকড়ে দুই শিশুর আহাজারি, ১৩ দিন পর বাড়ি ফিরল আশিকের মরদেহ

সারাদেশ ডেস্ক

প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৯ পিএম

ছবি: সংগৃহীত

বাবার নিথর দেহ কফিনবন্দি। শেষবারের মতো বাবাকে কাছে পেয়ে সেই কফিন আঁকড়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়ে দুই শিশু সন্তান। তাদের কান্না আর স্বজনদের আহাজারিতে শোকাবহ হয়ে ওঠে পুরো বাড়ি। সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত মো. শাহেদ আহম্মেদ আশিকের (৩২) মরদেহ ১৩ দিন পর ফিরেছে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার গ্রামের বাড়িতে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে আশিকের কফিনবন্দি মরদেহ উপজেলার মাদলা ইউনিয়নের মাদলা পূর্বপাড়া গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়। এ সময় বাবার কফিন আঁকড়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়ে তার দুই শিশু সন্তান কাউছার (১১) ও আব্দুল্লাহ (৬)। তাদের কান্নায় উপস্থিত স্বজন ও প্রতিবেশীদের চোখেও পানি চলে আসে।

গত ১০ অক্টোবর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ হারান প্রবাসী আশিক। দীর্ঘ ১৩ দিন পর তার মরদেহ দেশে ফিরলেও পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

শুক্রবার দুপুরে আশিকের মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্বজনদের পাশাপাশি আশপাশের এলাকার মানুষও তাকে শেষবারের মতো দেখতে ভিড় করেন। কান্না আর আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে বাড়ির পরিবেশ। প্রিয়জনকে হারিয়ে পরিবারের সদস্যদের আহাজারিতে শোকের আবহ ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার আসরের নামাজের পর স্থানীয় সরকারি মাদলা চাচাইতারা যুক্ত উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আশিকের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

আশিকের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া সম্পর্কে শাজাহানপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাইফুর রহমান বলেন, মরদেহ ফিরিয়ে আনার পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে তিনি কাজ করেছেন। নিহত প্রবাসীর পরিবার যেন দ্রুত সরকারি নগদ আর্থিক অনুদান পায়, সে বিষয়ে সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও জানান তিনি।

প্রকাশক: মাহমুদুল হাসান

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: সুজন মাহমুদ

বার্তা সম্পাদক: শরিফুল ইসলাম

যোগাযোগের ঠিকানা:

কুড়িগ্রাম অফিস: কলেজ রোড, চর রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম।

ঢাকা অফিস: ২/এ, কালাচাঁদপুর মেইন রোড, ঢাকা- ১২১২

ইমেইল: monojogprokashnews@gmail.com

মোবাইল: 09658369970